Skip to main content

পেট ভালো রাখার সহজ উপায়




খাওয়ার পর বা খাওয়া শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেক পরও মনে হতে পারে খাবার হজম হয়নি। তার মানে আপনি হজমের সমস্যায় ভুগছেন। হজমের নানা সমস্যা ও তা থেকে প্রতিকার পাওয়ার উপায় সম্পর্কে জানিয়েছেন হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনি ভারী ভারী এবং অস্বস্তি বোধ করেন, অথবা জ্বালা বোধ করেন, বা হয়তো আপনার গা-গোলানো, বমি বোধ ভাব হচ্ছে! তখনই বুঝবেন আপনার পেট খারাপ বা বদ হজম হয়েছে। সঠিক কারণ জানা না থাকলে ডাক্তাররা এটাকে ‘ডিসপেপসিয়া’ অথবা ‘বদ হজম’ বলে থাকেন।

পেটে দীর্ঘক্ষণের ব্যথা বা অজানা কারণে অস্বস্তিকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় ‘ফাংশনাল ডিসপেপসিয়া’। ফাংশনাল ডিসপেপসিয়ার মূল কারণ অস্বাস্থ্যকর খাবার। অনেক সময় খেতে খেতেই শুরু হয়ে যায় অস্বস্তি, বাকিদের খাওয়ার আধঘণ্টা পরে হতে থাকে। তিন মাসের মধ্যে মাঝেমাঝেই ফিরে আসার প্রবল সম্ভবনা এই রোগের। আপনি যদি ফাংশনাল ডিসপেপসিয়ায় ভোগেন, তাহলে আপনি একা নন। মোটামুটি ভাবে জনগণের ২৫% আক্রান্ত, পুরুষ ও নারীরা সমানভাবে। ১০% আমেরিকান তাদের জীবনকালে একসময় পেপটিক আলসার বাধিয়ে থাকে। ফাংশনাল ডিসপেপসিয়ার কোনো নিশ্চিত চিকিৎসা না থাকাটা, তার কারণ না জানতে পারার থেকেও খারাপ।

জেনে নিন পেট ভালো রাখার কয়েকটি উপায়:

- বোঝার চেষ্টা করুন কোন কোন খাবারে আপনার বদ হজম হয়, সেসব খাবার এড়িয়ে চলুন।

- কিছুক্ষণ পর পর অল্প পরিমাণে খাবেন। খাবার সম্পূর্ণভাবে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান।

- ধূমপান, হুটপাট করে খাওয়া, চুইং গাম এবং কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করা থেকে বিরত থাকুন।

- দুশ্চিন্তা করবেন না। রিলেক্সেসান থেরাপি, কগনিটিভ বিহেভেরিয়াল থেরাপি বা ব্যায়াম চেষ্টা করুন। অ্যারোবিক ওয়ার্কআউট সপ্তাহে ৩-৫ বার করলে উপকার পাবেন। তবে খাওয়ার পরেই ব্যায়াম করবেন না।

- কাজের ফাঁকে ফাঁকে শরীরকে আরাম দিন।

- রাতের খাবার খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান।

- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

Comments

Popular posts from this blog

আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা

আলসার বা পেটের ভিতরে হওয়া ঘা রোগীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। পেটের দেওয়ালে হওয়া ঘায়ের সঙ্গে খাবারের মধ্যে থাকা মশলা , তরল ইত্যাদির সংস্পর্শ হলে বা অ্যাসিডিটি হলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয় , গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা হয় , পেট জ্বালা করতে থাকে যা সহ্য করা একেক সময় অসম্ভব হয়ে ওঠে। আলসারের মধ্যে সবচেয়ে চেনা নাম হল ' গ্যাসট্রিক আলসার ' । আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে আলসার ধরা পড়ার পর চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যায়। বস্তুত , আলসার সারানোর নানা উপায় রয়েছে। আলসার সেরে যাওয়ার পর ঠিকমতো ডায়েট চার্ট মেনে চলাও সবার অবশ্য কর্তব্য। একইসঙ্গে ধূমপান না করা , মদ্যপানে বিরত থাকার কথাও চিকৎসকেরা বারবার করে বলে দেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক , কোন কোন খাবার ডায়েট চার্টে থাকলে আলসার সারতে পারে সহজেই। মধু মধু এমন একটি অ্যান্টিসেপটিক যা যে কোনও জ্বালা-পোড়া বা ঘা সারাতে লড়াই করে। মধু খেলে আলসার আর বাড়ে না। বরং ধীরে ধীরে কমবে। টক দই কম ফ্যাটের ডেয়ারি প্রোডাক্ট, বিশেষ করে দই আলসার সারাতে অসাধারণ কাজ করে। চর্বিহীন মাংস ও পোলট্রি  প্রোডাক্ট চর্বিহীন মাংস ও পোল...

পাইলস এর কারন ও প্রতিকার

:: পাইলস এর কারন ও প্রতিকার ::: আধুনিক জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ায় বেশ কিছু রোগের প্রকোপ বাড়ছে। অর্শ-গেজ বা পাইলস তার মধ্যে অন্যতম। ডাক্তারি ভাষায় একে বলে হেমোরয়েডস। মলাশয়ের নিম্নাংশ বা মলদ্বারের শিরা যখন পেঁচিয়ে যায়, ফুলে ওঠে এবং প্রসারিত হয় তখনই তাকে পাইলস বা হেমোরয়েডস বলে। এটা মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরে দুই দিকেই হতে পারে। পাইলস এর কারন: # বংশগত (রক্তনালীর দূর্বলতা) # দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া # শাক-সবজি ও আঁশযুক্ত খাবার কম খাওয়া # পানি কম খাওয়া # ওজন বেশি হলে (অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার ও ফাস্টফুড গ্রহণ) # পায়ুপথের ক্যান্সার # বার্ধক্যজনিত কারন # অনেক সময় ধরে বসে থাকার অভ্যাস # ভার উত্তোলন বা বেশি ওজন বহন করা # গর্ভাবস্থায়ও পাইলস হতে পারে। পাইলস এর লক্ষণ: পাইলস মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরে দুই দিকেই হতে পারে। বাইরের পাইলসে সাধারণত রক্ত পড়ে না এবং তেমন কোন ব্যথাও অনুভূত হয় না। এছাড়া কিছু লক্ষন দেখা যায়ঃ # রক্তপাত- রক্তপাত পাইলস রোগের প্রধান সমস্যা # মলত্যাগ করার সময় মলদ্বার ফুলে উঠে বা বের হয়ে আসে # মলত্যাগ করার সময় ব্যাথা হতে পারে # পাইলস থাকলে মলদ্বার ভেজা থাকে ...

পাইলস কি, এর কারণ,লক্ষণ এবং করণীয়

অর্শ বা পাইলস কি? মলাশয়ের নিম্নাংশ বা মলদ্বারের শিরাগুলো ফুলে গেলে সেগুলোকে অর্শ বা পাইলস বলে। এই অর্শ মলদ্বারের অভ্যন্তরেও হতে পারে আবার বাইরেও হতে পারে। অর্শ বা পাইলস কেন হয় (অর্শের কারণসমূহ): অর্শের সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্শ হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেঃ ১. দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া ২. শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার এবং পানি কম খাওয়া ৩. শরীরের অতিরিক্ত ওজন ৪. গর্ভাবস্থা ৫. লিভার সিরোসিস ৬. মল ত্যাগে বেশী চাপ দেয়া ৭. অতিরিক্ত মাত্রায় লেকজেটিভ (মল নরমকারক ওষুধ)ব্যবহার করা বা এনেমা (শক্ত মল বের করার জন্য বিশেষ তরল মিশ্রণ ব্যবহার করা) গ্রহণ করা ৮. টয়লেটে বেশী সময় ব্যয় করা ৯. বৃদ্ধ বয়স ১০. পরিবারে কারও পাইলস থাকা ১১. ভার উত্তোলন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা ইত্যাদি। অর্শ বা পাইলস কিভাবে বুঝব (অর্শের লক্ষণসমূহ): i) মলদ্বারের অভ্যন্তরে হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারেঃ ১. পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হওয়া ২. মলদ্বারের ফোলা বাইরে বের হয়ে আসতে পারে, নাও পারে। যদি বের হয় তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া ...