Skip to main content

পেট ব্যথার কারণ ও চিকিৎসা

 

পেট ব্যথার কারণ, পেট ব্যথার জরুরি লক্ষণ, পেট ব্যথা প্রতিরোধে করণীয়, চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ এসব সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
বিভিন্ন কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে। অধিকাংশ পেট ব্যথা ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, কৃমি, পেপটিক আলসার অথবা মাসিকের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব ক্ষেত্রে রোগীকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব। তবে তীব্র পেটে ব্যথা, পেট ফুলে শক্ত হওয়া, হঠাৎ পেটে ব্যথা এবং পেট ব্যথা ক্রমেই বাড়ার ক্ষেত্রে রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।



পেট ব্যথার কারণ
সাধারণ কারণ
  1. ডায়রিয়া ও খাদ্যে বিষক্রিয়া
  2. কোষ্ঠকাঠিন্য
  3. বদহজম
  4. কৃমি
  5. পেপটিক আলসার
  6. মাসিকের ব্যথা
  7. শিশুদের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ে না যাওয়ার প্রবণতা থাকলে অনেক সময় মানসিক দুর্বলতার কারণে পেট ব্যথা হতে পারে।
গুরুতর কারণ
  • প্রস্রাবের নালিতে সংক্রমণ
  •  অন্ত্রের যে কোনো স্থানে ছিদ্র
  • পিত্তথলির পাথর/প্রদাহ
  • কিডনি, মূত্রথলি ও নালিতে পাথর/প্রদাহ
  • অ্যাপেন্ডিসাইটিস
  • অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ
  •  মেয়েদের ডিম্বাশয়ে সংক্রমণ বা সিস্ট


গর্ভজনিত সমস্যা (যেমন : জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ, গর্ভপাত ইত্যাদি)পেট ব্যথার জরুরি লক্ষণ 


  • অনবরত ব্যথা যা ধীরে ধীরে বাড়তেই থাকে এবং অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে
  • কোষ্ঠকাঠিন্য এবং বমি
  • পেট ফোলা, শক্তভাব, রোগী পেট চেপে ধরে
  • রোগী খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে


পেট ব্যথা প্রতিরোধে করণীয় 

  • পানি পান করার আগে অন্তত ২০ মিনিট পানি ফুটাতে হবে
  •  প্রতিদিন বেশি করে পানি পান করতে হবে
  • মলে রক্ত দেখা গেলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী অথবা ডাক্তার দেখাতে হবে



সচরাচর জিজ্ঞাসা 
প্রশ্ন. ১. পেট ব্যথার সাধারণ কারণগুলো কি কি? 
উত্তর.

  • ডায়রিয়া ও খাদ্যে বিষক্রিয়া
  • কোষ্ঠকাঠিন্য
  • বদহজম
  • কৃমি
  • পেপটিক আলসার
  • মাসিকের ব্যথা


প্রশ্ন. ২. পেট ব্যথা প্রতিরোধে কি করতে হবে? 
উত্তর.



  •  পানি পান করার আগে অন্তত ২০ মিনিট পানি ফুটাতে হবে
  •  প্রতিদিন বেশি করে পানি পান করতে হবে
  •  মলে রক্ত দেখা গেলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী অথবা ডাক্তার দেখাতে হবে

Comments

Popular posts from this blog

আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা

আলসার বা পেটের ভিতরে হওয়া ঘা রোগীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। পেটের দেওয়ালে হওয়া ঘায়ের সঙ্গে খাবারের মধ্যে থাকা মশলা , তরল ইত্যাদির সংস্পর্শ হলে বা অ্যাসিডিটি হলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয় , গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা হয় , পেট জ্বালা করতে থাকে যা সহ্য করা একেক সময় অসম্ভব হয়ে ওঠে। আলসারের মধ্যে সবচেয়ে চেনা নাম হল ' গ্যাসট্রিক আলসার ' । আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে আলসার ধরা পড়ার পর চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যায়। বস্তুত , আলসার সারানোর নানা উপায় রয়েছে। আলসার সেরে যাওয়ার পর ঠিকমতো ডায়েট চার্ট মেনে চলাও সবার অবশ্য কর্তব্য। একইসঙ্গে ধূমপান না করা , মদ্যপানে বিরত থাকার কথাও চিকৎসকেরা বারবার করে বলে দেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক , কোন কোন খাবার ডায়েট চার্টে থাকলে আলসার সারতে পারে সহজেই। মধু মধু এমন একটি অ্যান্টিসেপটিক যা যে কোনও জ্বালা-পোড়া বা ঘা সারাতে লড়াই করে। মধু খেলে আলসার আর বাড়ে না। বরং ধীরে ধীরে কমবে। টক দই কম ফ্যাটের ডেয়ারি প্রোডাক্ট, বিশেষ করে দই আলসার সারাতে অসাধারণ কাজ করে। চর্বিহীন মাংস ও পোলট্রি  প্রোডাক্ট চর্বিহীন মাংস ও পোল...

ব্যায়াম ছাড়াই স্লিম হতে, পান করুন এই পানীয়!

ডায়েট কিংবা ব্যায়াম করেও কিছুতেই কমাতে পারছেন না বাড়তি ওজন, পাচ্ছেন না মনের মত স্লিম ও আকর্ষণীয় ফিগার? অনেকের আবার ব্যায়াম করার সময় নেই, ডায়েট করা সুযোগ নেই। তাঁরাই বা কীভাবে কমাবেন ওজন? তাই বেশী ওজন নিয়ে খুব যুদ্ধ করছেন? রোজ সকালে এই পানীয়টি তৈরি করুন এবং পান করুন খালি পেটে। কোন পরিশ্রম ছাড়াই আপনার শরীর হয়ে উঠবে ছিপছিপে সুন্দর। জেনে নিন দারুণ রেসিপি উপকরণঃ- ১ টেবিল চামচ মধু ১ টেবিল চামচ তাজা আদা কুচি বা বাটা (আদা গুঁড়োও ব্যবহার করতে পারেন) ১ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার ১ কোয়া রসুন ১ মুঠো পুদিনা বা পারসলে কুচি আধা গ্লাস ফুটানো পানি (কক্ষ তাপমাত্রায়) অর্ধেকটা অ্যাভোকাডো (সুপার মার্কেটে খুঁজলেই পাবেন। না পেলে পেঁপে ব্যবহার করতে পারেন) প্রস্তুতপ্রণালি -মধু বাদে বাকি সব উপাদান ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। -গ্লাসে ঢেলে মধু যোগ করুন। -খুব ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন। -তারপর খালি পেটে রোজ সকালে পান করুন এই পানীয়টি। সতর্কতাঃ- আপনার মেটাবোলিজম বৃদ্ধি ও শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দেয়ার মাধ্যমে এই পানীয়টি কমাবে আপনার ওজন। তবে ব্যবহৃত যে কোন একটি উপাদানে এলারজি হয় বা অন্য কোন শারী...

ওজন কমানোর ছয় টি ভুল ধারণা

বাড়তি ওজন কমে গেলে কার না ভালো লাগে! তাই ওজন কমাতে অনেকে হয়তো উঠেপড়ে লাগেন। আর ভুলভাল রীতি মেনে চলতে থাকেন।এতে অনেকের বাড়তি মেদ   কমলেও শরীরের ওপর বাজে প্রভাব পড়ে। আবার চেষ্টার পরও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায় না অনেকে। ওজণ   কমানোর কিছু ভুল ধারণার কথা   জেনে নিন। 1: কার্বোহাইড্রেট শত্রু অনেকেই ওজণ কমানোর সময় কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ দিয়ে দেন বা ভাবেন Weight কমাতে গেলে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিতেই হবে। সত্য হলো , শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে গেলে বা স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে গেলে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিলে চলবে না। স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেটের উৎস যেমন : ফল , সবজি , বাদাম , গম জাতীয় খাবার এগুলো শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   ওজন   কমাতে প্রোটিনের সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য রাখতে হবে। তবে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খাওয়া কমিয়ে দেওয়ার বিষয়ে একমত বিশেষজ্ঞরা। পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যেমন : সাদা ভাত , সাদা পাস্তা , প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক , মিষ্টি ইত্যাদি। এগুলো কম খাওয়াই ভালো। 2: দ্রুত ফলাফল পেতে জিমে গিয়ে কঠোর ব্যায়াম করা প্রতিদিন সমপর...