Skip to main content

ভুঁড়ি কমাতে নাজেহাল? জেনে নিন কিছু ঘরোয়া সমাধান.....






আমাদের ব্যস্ততার কারনে শহুরে জীবনে দীর্ঘ সময় বসে বসে কাজ করার জন্য ও দৈহিক পরিশ্রম কম হয়৷ তাই পেটে মেদ জমে যাওয়া খুবই সাভাবিক। কিন্তু যত সহজে পেটে মেদ জমে, ঝড়ানো কিন্তু ততটাই কঠিন। কিন্তু ছোট্টখাট কিছু কৌশল জানা থাকলে আর রোজকার কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে আপনি নিজেই কমিয়ে ফেলতে পারেন আপনার পেটের এই বাড়তি মেদ ও ভুঁড়ি! জিমে গিয়ে টাকা সময় কোনটাই নষ্ট করার কোন প্রয়োজন নেই।
কিন্তু করবোন কীভাবে? জেনে নিন কিছু সহজ উপায়।

রোজ সকালে ইষদ্উষ্ণ গরম জলে লেবুর রস

হ্যাঁ, এটা আমরা অনেকেই জানি৷ কিন্তু কুঁড়েমির জন্য অনেকেই করি না। এক গ্লাস গরম জলে অর্ধেকটা পাতি লেবুর রস মিশিয়ে নিন, এতে একটু লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই আর রাতে ঘুমোতে যাবার আগেও পান করতে পারেন এটি৷ আপনার শরীরের বাড়তি মেদ ও চর্বি ঝড়িয়ে ফেলতে ভীষণভাবে সাহায্য করে৷

রোজ তিন কোয়া রসুন খান

রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে ২/৩ কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে নিন, এর ঠিক কিছুক্ষন পরই পান করুন একটু লেবুর রস। এটি আপনার পেটের চর্বি কমাতে দ্বিগুণগতিতে কাজ করবে। তাছাড়া দেহের রক্ত চলাচলকেও আরো বেশী করে সাহয্য করবে এটি।

কিছু মসলা খুবই উপকারি

রান্নায় অতিরিক্ত মশলা ব্যবহার করবেন না৷কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু মশলা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে৷ রান্নার সময় ব্যবহার করুন দারুচিনি, আদা ও গোলমরিচ। এগুলো আপনার রক্তে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে।

প্রচুর ফল ও সবজি খোওয়া অভ্যাস করুন

প্রতিদিন সকালের জলখাবারে ও বিকেলে ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন। আর দুপুরের খাবারে সবজি রাখুন৷ এবং অবশ্যই স্যালাড খান দুপুরে ও রাতে৷ এতে আপনার শরীরে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট, মিনারেল ও ভিটামিন। আর এগুলো আপনার রক্তের মেটাবলিজম বাড়িয়ে পেটের চর্বি কমিয়ে আনবে সহজেই। আজ থেকেই শুরু করুন এই নিয়মগুলো আর কমিয়ে ফেলুন আপনার ভুঁড়ি,ফিরে পান আপনার মেদহীন সুন্দর স্বাস্থ্য। সুস্থ থাকুন।

Comments

Popular posts from this blog

আলসার রোগীর খাদ্য তালিকা

আলসার বা পেটের ভিতরে হওয়া ঘা রোগীর জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। পেটের দেওয়ালে হওয়া ঘায়ের সঙ্গে খাবারের মধ্যে থাকা মশলা , তরল ইত্যাদির সংস্পর্শ হলে বা অ্যাসিডিটি হলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয় , গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা হয় , পেট জ্বালা করতে থাকে যা সহ্য করা একেক সময় অসম্ভব হয়ে ওঠে। আলসারের মধ্যে সবচেয়ে চেনা নাম হল ' গ্যাসট্রিক আলসার ' । আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে আলসার ধরা পড়ার পর চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যায়। বস্তুত , আলসার সারানোর নানা উপায় রয়েছে। আলসার সেরে যাওয়ার পর ঠিকমতো ডায়েট চার্ট মেনে চলাও সবার অবশ্য কর্তব্য। একইসঙ্গে ধূমপান না করা , মদ্যপানে বিরত থাকার কথাও চিকৎসকেরা বারবার করে বলে দেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক , কোন কোন খাবার ডায়েট চার্টে থাকলে আলসার সারতে পারে সহজেই। মধু মধু এমন একটি অ্যান্টিসেপটিক যা যে কোনও জ্বালা-পোড়া বা ঘা সারাতে লড়াই করে। মধু খেলে আলসার আর বাড়ে না। বরং ধীরে ধীরে কমবে। টক দই কম ফ্যাটের ডেয়ারি প্রোডাক্ট, বিশেষ করে দই আলসার সারাতে অসাধারণ কাজ করে। চর্বিহীন মাংস ও পোলট্রি  প্রোডাক্ট চর্বিহীন মাংস ও পোল...

ওজন কমানোর ছয় টি ভুল ধারণা

বাড়তি ওজন কমে গেলে কার না ভালো লাগে! তাই ওজন কমাতে অনেকে হয়তো উঠেপড়ে লাগেন। আর ভুলভাল রীতি মেনে চলতে থাকেন।এতে অনেকের বাড়তি মেদ   কমলেও শরীরের ওপর বাজে প্রভাব পড়ে। আবার চেষ্টার পরও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পায় না অনেকে। ওজণ   কমানোর কিছু ভুল ধারণার কথা   জেনে নিন। 1: কার্বোহাইড্রেট শত্রু অনেকেই ওজণ কমানোর সময় কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ দিয়ে দেন বা ভাবেন Weight কমাতে গেলে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিতেই হবে। সত্য হলো , শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে গেলে বা স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে গেলে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিলে চলবে না। স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেটের উৎস যেমন : ফল , সবজি , বাদাম , গম জাতীয় খাবার এগুলো শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।   ওজন   কমাতে প্রোটিনের সঙ্গে কার্বোহাইড্রেটের ভারসাম্য রাখতে হবে। তবে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট খাওয়া কমিয়ে দেওয়ার বিষয়ে একমত বিশেষজ্ঞরা। পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট যেমন : সাদা ভাত , সাদা পাস্তা , প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক , মিষ্টি ইত্যাদি। এগুলো কম খাওয়াই ভালো। 2: দ্রুত ফলাফল পেতে জিমে গিয়ে কঠোর ব্যায়াম করা প্রতিদিন সমপর...

ব্যায়াম ছাড়াই স্লিম হতে, পান করুন এই পানীয়!

ডায়েট কিংবা ব্যায়াম করেও কিছুতেই কমাতে পারছেন না বাড়তি ওজন, পাচ্ছেন না মনের মত স্লিম ও আকর্ষণীয় ফিগার? অনেকের আবার ব্যায়াম করার সময় নেই, ডায়েট করা সুযোগ নেই। তাঁরাই বা কীভাবে কমাবেন ওজন? তাই বেশী ওজন নিয়ে খুব যুদ্ধ করছেন? রোজ সকালে এই পানীয়টি তৈরি করুন এবং পান করুন খালি পেটে। কোন পরিশ্রম ছাড়াই আপনার শরীর হয়ে উঠবে ছিপছিপে সুন্দর। জেনে নিন দারুণ রেসিপি উপকরণঃ- ১ টেবিল চামচ মধু ১ টেবিল চামচ তাজা আদা কুচি বা বাটা (আদা গুঁড়োও ব্যবহার করতে পারেন) ১ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার ১ কোয়া রসুন ১ মুঠো পুদিনা বা পারসলে কুচি আধা গ্লাস ফুটানো পানি (কক্ষ তাপমাত্রায়) অর্ধেকটা অ্যাভোকাডো (সুপার মার্কেটে খুঁজলেই পাবেন। না পেলে পেঁপে ব্যবহার করতে পারেন) প্রস্তুতপ্রণালি -মধু বাদে বাকি সব উপাদান ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। -গ্লাসে ঢেলে মধু যোগ করুন। -খুব ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে নিন। -তারপর খালি পেটে রোজ সকালে পান করুন এই পানীয়টি। সতর্কতাঃ- আপনার মেটাবোলিজম বৃদ্ধি ও শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দেয়ার মাধ্যমে এই পানীয়টি কমাবে আপনার ওজন। তবে ব্যবহৃত যে কোন একটি উপাদানে এলারজি হয় বা অন্য কোন শারী...